
বিশেষ প্রতিনিধি:
হানি ট্র্যাপের পাশাপাশি টার্গেট করে বিভিন্ন ব্যক্তির ফেসবুক হ্যাক করে ম্যানুপুলেট করেছে বিগত সরকার। নিরাপত্তা সংস্থা ও আর্থিক সংস্থাগুলো। দেশের পাশাপাশি দেশের বাইরেও এগুলো পাচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অনুসন্ধানী প্রবাসী বাংলাদেশী সাংবাদিক ও বিশ্লেষক জুলকারনাইন সায়ের খান।
শনিবার রাজধানীর কাওরানবাজারে বেসিস সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত নাগরিক সংলাপে এমন অভিমত তুলে ধরেন তিনি। সিভিল রিফর্ম বাংলাদেশ ২.০ আহ্বায়ক ফাহিম মাশরুর এর সঞ্চালনায় নতুন বাংলাদেশে আড়িপাতা, গোপনীয়তার অধিকার ও বাক স্বাধীনতা নিয়ে এই নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে সংলাপে জুলকারনাইন সায়ের খান সামি বলেন, প্রতিটি দেশেই আড়িপাতা হয়। তবে তারা নাগরিকদের ক্ষতি করেন না। তাই গোপনীয়তার আইন কেন দরকার তা বুঝতে হবে। আমাদের এখানে যা হয়েছে তা খুবই ন্যাক্কারজনক। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা চলে যাবার পর গণভবন থেকে বেশ কিছু সিডি উদ্ধার করা হয়েছে। সেই সিডিগুলোতে যা আছে সেটা এতটাই ভয়াবহ যদি তা প্রকাশ পায়, তাহলে অনেক রাজনীতিবিদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার চীরতরে শেষ হয়ে যাবে। এসব শেখ হাসিনার কাছে থাকতো। এগুলো অবশ্যই নষ্ট করা দরকার।
সায়ের জানান, অনেককেই এভাবে ফাঁদে ফেলে অন্যায় করতে বাধ্য করেছে বিগত সরকার।
এসময় এনটিএমসি-কে জবাবদিহীতার অধীনে আনা এবং অপ্রয়োজনীয় ডিভাইস ফেরত দেয়া যায় কি না তা নিয়ে ভাবার আহ্বান জানান তিনি। অনলাইনে যুক্ত হয়ে আরো বক্তব্য রাখেন প্রাইভেসি বিশেষজ্ঞ সাবহানাজ রশিদ দিয়া।
নাগরিক সংলাপে অন্যান্যের মধ্যে আইনজীবি ও মানবাধিকার কর্মী ব্যারিস্টার সারা হোসেন, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা, জাহেদ উর রহমান, টিআরবি নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান, সাংবাদিক গোলাম মুর্তজা, আশরাফ কায়সার, তথ্যপ্রযুক্তি সাংবাদিক জাকারিয়া স্বপন, রাজনীতিবিদ জুনায়েদ সাকি, সাইবার বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির, মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়শন সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ বিএম মইনুল হোসেন, ব্যারিস্টার নীতি সানজানা, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।